দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতাল থেকে গভীর রাতে রোগীর ছেলেকে তুলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মুখোশধারী কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে লিফট থেকে নামার পর আল আমিন হোসেনকে ৫-৬ জন মুখোশধারী জোর করে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ধস্তাধস্তি হলে তাকে মারধর করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যান তারা।
আল আমিন ও তার স্বজনদের অভিযোগ, পূর্ববিরোধের জেরে মোহনপুর গ্রামের ফরিদ মিয়া ও তার ভাইয়েরা আল আমিনের মা জাহানারা ও বোনকে মারধর করে হাসপাতালে পাঠান। এরপর শহর থেকে লোক ভাড়া করে আল আমিনকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সুন্দর আলীর ছেলে ফরিদ মিয়ার নেতৃত্বে তার ভাইয়েরা আল আমিনের মা জাহানারা ও বোনের ওপর হামলা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন আল আমিন। রাত ১টার দিকে ফরিদ মিয়ার শ্যালক বেড়াজালি গ্রামের নূরুল ইসলাম হাসপাতালে গিয়ে আল আমিনকে হুমকি দেন।
পরে মায়ের জন্য ওষুধ আনতে নিচে নামেন আল আমিন। লিফট থেকে নামার পরই নূরুল ইসলামের নির্দেশে কয়েকজন মুখোশধারী তাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। এ সময় ধস্তাধস্তিতে ব্যর্থ হয়ে তাকে মারধর করেন তারা। পরে কয়েকজন এগিয়ে এলে মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যান মুখোশধারীরা।
আল আমিনের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যসহ অন্যদের সেখানে পাওয়া যায়নি।
আল আমিনের বাবা আরজদ আলী বলেন, প্রায় ২০ বছর আগে ফরিদ মিয়া ও তার ভাইয়েরা তার শাশুড়িকে হত্যা করেছিলেন। ওই হত্যা মামলায় ফরিদ মিয়া সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এখন তারা তার স্ত্রী ও সন্তানদেরও হত্যার চেষ্টা করছে। ছেলে স্ত্রী ও মেয়েকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তাকে তুলে নিতে নূরুল ইসলাম লোক ভাড়া করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আলী আশরাফ সোহাগ বলেন, তিনি সদ্য দায়িত্ব নেওয়ার পর জানতে পেরেছেন, আনসার সদস্যরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেন না। বিষয়টি তাদের কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। হাসপাতালের ভেতরে রোগীর স্বজনের ওপর হামলার ঘটনা নিন্দনীয়।
এদিকে হাসপাতাল থেকে রোগীর ছেলেকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা ও মারধরের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রোগী ও স্বজনেরা।
যে আই